সোমবার, ৩ জুন, ২০১৩
শনিবার, ১ জুন, ২০১৩
'যুদ্ধ এবং শৈশব/কৈশোর' নিয়ে নির্মিত দেখার মত কয়েকটা ছবি
থিম থেকেই বোঝা যাচ্ছে, এ পর্বের মুভিগুলো হবে খানিকটা স্পর্শকাতর। আগের পর্বের মত এবারেও কোনও হলিউড ফিল্মের জায়গা হয়নি, আর এই ছবিগুলো আমার দৃষ্টিতে সত্যিকারের মনে দাগ কাটার মত।
এই প্রসঙ্গে আমার সবচেয়ে প্রিয় মুভিটা একটা বহুবিখ্যাত ইতালিয়ান সিনেমা - Roberto Benigni'র Life Is Beautiful (Italian: La vita è bella)। ধারণা করছি, এই মুভিটা প্রায় সবার দেখা, তাই রিভিউতে এই মুভি রাখিনি। তবু যদি কারও অদেখা হয়ে থাকে, তবে তাদেরকে বলব, এই সিনেমা না দেখে মারা যাওয়াটা ঠিক না। মুভিটা শেষ করার পর 'সিনেমা' সম্পর্কে আপনার ধ্যান-ধারণা আর অনুভূতি জায়গাটা নড়ে উঠবে। একই সাথে কমেডি আর ট্রাজেডি'র এমন অপূর্ব সমন্বয়ের আর কোনও উদাহরণ আছে কিনা আমি জানি না। আমার মুভি-দেখা জীবনে 'লা ভিতা এ বেলা' একটা ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকবে।
ভূমিকা শেষ করে পোস্ট শুরু করছি। এবং এবারের পাঁচটা মুভিও যথারীতি ভিন্ন ভিন্ন দেশের এবং পাঁচটা বিভিন্ন ভাষার।
সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩
নারী-জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত দেখার মত কয়েকটা ছবি
পাঁচটা ভিন্ন দেশের পাঁচটা চলচ্চিত্র। আরও ভালভাবে বলতে গেলে পৃথিবী'র পাঁচটা ভিন্ন অঞ্চলের (দূর প্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, মধ্য ইওরোপ আর স্ক্যান্ডিনেভিয়া), তাই পাঁচটা সম্পূর্ণ ভিন্ন সংস্কৃতিতে নারী'দের জীবন নিয়ে নির্মিত পাঁচটা চলচ্চিত্র নিয়ে এই পোস্ট। চলচ্চিত্র'কে আমি 'নারীবাদী' নামে কোনও ক্যাটাগরিতে ফেলতে চাই না, তবে এই পোস্টের মুভিগুলো বাছাই করেছি বিভিন্ন কালচারে নারী'দের জীবনের গল্প থেকে। মুভি বিষয়ে আমার প্রথম পোস্ট এটা। দেখা যাক কেমন হয়।
মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৩
ছবি [আরেকটা (প্রায়) ডিটেকটিভ গল্প]
এক.
তানিয়া ঘরে ঢুকেই দেখতে পেল ইনস্পেক্টর ওয়াদুদ ড্রয়িংরুমে সোফায় আধশোয়া হয়ে আছেন। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে, লাইট অন করা হয় নি; ঘর অন্ধকার।
"কী হল, পাপা? শরীর খারাপ?"
"না মা। তোর কী খবর? ক্লাস কেমন চলছে?"
তানি মিস্টি হাসল। ওয়াদুদের হঠাৎ মনে হল, তিনি কেমন বহিরাগতের মত প্রশ্ন করছেন ! ব্যস্ততার কারণে মেয়ের সাথে কতদিন গল্প করা হয় না আর। ওয়াদুদ আধশোয়া থেকে উঠে বসলেন, "আয় তোর সাথে আজ কিছুক্ষণ গল্প করি। অনেকদিন তোকে সময় দেয়া হয় না..."
"তুমি বসো, পাপা", তানি হেসে তাকালো, "আমি একটু ফ্রেশ হয়ে চা করে নিয়ে আসি। চা খাবে তো?"
তানি অন্ধকারেই দেখতে পেল ওয়াদুদ হাসিমুখে সায় জানালেন।
চায়ের কাপ হাতে তানিয়া রুমে ঢুকতেই ওয়াদুদ হঠাৎ আচমকা প্রশ্ন করে বসলেন, "আচ্ছা তানি, তুই তো অনেক পড়াশোনা করিস। মডার্ন আর্ট সম্পর্কে তোর কী ধারণা বল তো?"
তানিয়া ঘরে ঢুকেই দেখতে পেল ইনস্পেক্টর ওয়াদুদ ড্রয়িংরুমে সোফায় আধশোয়া হয়ে আছেন। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে, লাইট অন করা হয় নি; ঘর অন্ধকার।
"কী হল, পাপা? শরীর খারাপ?"
"না মা। তোর কী খবর? ক্লাস কেমন চলছে?"
তানি মিস্টি হাসল। ওয়াদুদের হঠাৎ মনে হল, তিনি কেমন বহিরাগতের মত প্রশ্ন করছেন ! ব্যস্ততার কারণে মেয়ের সাথে কতদিন গল্প করা হয় না আর। ওয়াদুদ আধশোয়া থেকে উঠে বসলেন, "আয় তোর সাথে আজ কিছুক্ষণ গল্প করি। অনেকদিন তোকে সময় দেয়া হয় না..."
"তুমি বসো, পাপা", তানি হেসে তাকালো, "আমি একটু ফ্রেশ হয়ে চা করে নিয়ে আসি। চা খাবে তো?"
তানি অন্ধকারেই দেখতে পেল ওয়াদুদ হাসিমুখে সায় জানালেন।
চায়ের কাপ হাতে তানিয়া রুমে ঢুকতেই ওয়াদুদ হঠাৎ আচমকা প্রশ্ন করে বসলেন, "আচ্ছা তানি, তুই তো অনেক পড়াশোনা করিস। মডার্ন আর্ট সম্পর্কে তোর কী ধারণা বল তো?"
রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩
খুন ! [একটা (প্রায়) ডিটেকটিভ গল্প]
এক.
মৃত্যুর ঠিক আগ মুহুর্তে রাজিব রায়হান তার বুদ্ধিমত্তার শেষ নিদর্শনটা রেখে গেলেন। তার খুনিরা তখনও তার লিভিংরুমে, একে একে তাদের উপস্থিতি'র সব আলামত ধ্বংস করছে। বোঝা যাচ্ছে, এরা প্রচন্ড প্রফেশনাল আর সতর্ক। তাকে এমন কোনও সুত্র রেখে যেতে হবে যেটা এরা ধরতে পারবে না, কিন্তু পরে হয়তো কেউ এসে বুঝে নেয়ার সম্ভাবনা থাকবে। অবিরাম রক্ত ঝরছে, রাজিব রায়হান পরিস্কার বুঝতে পারছেন, তার হাতে সময় খুব কম।
মৃত্যুর ঠিক আগ মুহুর্তে রাজিব রায়হান তার বুদ্ধিমত্তার শেষ নিদর্শনটা রেখে গেলেন। তার খুনিরা তখনও তার লিভিংরুমে, একে একে তাদের উপস্থিতি'র সব আলামত ধ্বংস করছে। বোঝা যাচ্ছে, এরা প্রচন্ড প্রফেশনাল আর সতর্ক। তাকে এমন কোনও সুত্র রেখে যেতে হবে যেটা এরা ধরতে পারবে না, কিন্তু পরে হয়তো কেউ এসে বুঝে নেয়ার সম্ভাবনা থাকবে। অবিরাম রক্ত ঝরছে, রাজিব রায়হান পরিস্কার বুঝতে পারছেন, তার হাতে সময় খুব কম।
সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৩
ভোররাতে জংশনে
একটা জোনাক ফুলের মালা অমন মল্লিকা রাত্তিরে
তোমার গল্পগুলো থেকে আমার স্বপ্নগুলো ছিড়ে
অমন ডুব দিলো, ডুব দিলো - ওসব শুধুই স্বপ্ন ছিলো?
আমার জানার বাকি আছে, আমার অনেক জানার বাকি !
তবু বনলতা সেন-এর ঘরে ওরাই আগুন লাগায়
যারা রাতদুপুরে কান্না করে চাঁদ-তারাকে রাগায়
যারা কাব্য লিখে চলে, শুধুই লেখার কৌতূহলে
যারা স্বপ্ন দেখার ভাণ করে আর স্বপ্নকে দেয় ফাঁকি
তোমার গল্পগুলো থেকে আমার স্বপ্নগুলো ছিড়ে
অমন ডুব দিলো, ডুব দিলো - ওসব শুধুই স্বপ্ন ছিলো?
আমার জানার বাকি আছে, আমার অনেক জানার বাকি !
তবু বনলতা সেন-এর ঘরে ওরাই আগুন লাগায়
যারা রাতদুপুরে কান্না করে চাঁদ-তারাকে রাগায়
যারা কাব্য লিখে চলে, শুধুই লেখার কৌতূহলে
যারা স্বপ্ন দেখার ভাণ করে আর স্বপ্নকে দেয় ফাঁকি
রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)